দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

নোয়াখালী অঞ্চলের রেল যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়নে প্রায় ৪০ কোটি টাকার প্রকল্প হাতে নিয়েছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। এর আওতায় লাকসাম থেকে নোয়াখালী পর্যন্ত প্রায় ৫০ কিলোমিটার রেলপথ পুনর্বাসন, স্টেশনের প্ল্যাটফর্ম সম্প্রসারণ ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন করা হবে। পাশাপাশি ঢাকা-নোয়াখালী রুটে নতুন আন্তনগর ট্রেন সুবর্ণচর এক্সপ্রেস চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
শুক্রবার (৬ নভেম্বর) সন্ধ্যায় নোয়াখালীর চৌমুহনী রেলস্টেশনের প্ল্যাটফর্ম সম্প্রসারণকাজ পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের প্রধান প্রকৌশলী তানভীরুল ইসলাম ও নোয়াখালীর জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম।
জনপ্রশাসন সচিব বলেন, নোয়াখালী ও চৌমুহনী অঞ্চলের স্টেশনগুলোর প্ল্যাটফর্ম ছোট হওয়ায় যাত্রীদের ওঠানামায় ভোগান্তি পোহাতে হয়। এ সমস্যা সমাধানে প্ল্যাটফর্মের বিপরীত পাশে ৩০০ ফুট দৈর্ঘ্য ও ১৫ ফুট প্রস্থের নতুন অংশ সম্প্রসারণের কাজ শুরু হয়েছে। এটি চালু হলে একসঙ্গে ১৬টি কোচবিশিষ্ট ট্রেনের যাত্রীরা নিরাপদে ওঠানামা করতে পারবেন।
এ ছাড়া প্ল্যাটফর্মের মেঝে পেভিং, অ্যাকসেস কন্ট্রোল ব্যবস্থার অসম্পূর্ণ কাজ শেষ করা এবং স্টেশন ভবন ও শেডের সৌন্দর্যবর্ধন করা হবে। নোয়াখালীবাসীর যাতায়াত সুবিধায় বন্ধ হয়ে যাওয়া নোয়াখালী এক্সপ্রেস এবং নতুন বরাদ্দ পাওয়া আন্তনগর সুবর্ণচর এক্সপ্রেস শিগগিরই চালু করা হবে বলে জানান তিনি।
রেলপথ আধুনিকায়নের বিষয়ে রেলওয়ের পূর্বাঞ্চলের প্রধান প্রকৌশলী তানভীরুল ইসলাম বলেন, লাকসাম থেকে নোয়াখালী পর্যন্ত ৪৮ থেকে ৫০ কিলোমিটার রেলপথ পুনর্বাসনে প্রায় ৪০ কোটি টাকার একটি প্যাকেজের দরপত্র ৫ নভেম্বর আহ্বান করা হয়েছে।
প্রকল্পের আওতায় ক্ষয়প্রাপ্ত রেলপাত ও স্টিল স্লিপার পরিবর্তন, নতুন পাথর (ব্যালাস্ট) স্থাপন, ফিটিংস আধুনিকায়ন, ব্যাংক প্রটেকশন ওয়াল নির্মাণ এবং ঝুঁকিপূর্ণ লেভেল ক্রসিংগুলোর মানোন্নয়ন করা হবে।
ঢাকা-নোয়াখালী রুটে নতুন ট্রেন চালুর বিষয়ে তিনি বলেন, মিটারগেজ ইঞ্জিনের সংকট থাকায় আপাতত নতুন ট্রেন পরিচালনা সম্ভব হচ্ছে না। তবে চট্টগ্রাম-দোহাজারী প্রকল্পের আওতায় প্রায় ১ হাজার ৫০০ কোটি টাকা ব্যয়ে ৩০টি নতুন মিটারগেজ ইঞ্জিন কেনার দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে। প্রতিটি ইঞ্জিনের আনুমানিক মূল্য ৫০ কোটি টাকা।
আগামী দুই থেকে তিন বছরের মধ্যে এসব ইঞ্জিন ও নতুন কোচ রেলবহরে যুক্ত হবে। এরপর বর্তমানে চলাচলরত উপকূল এক্সপ্রেসের বহর আধুনিকায়নের পাশাপাশি সুবর্ণচর এক্সপ্রেস চালুর প্রস্তুতি সম্পন্ন হবে বলে আশাবাদ জানান তিনি।
যে আই